সুকুমার সাধারন পাঠাগার

 

কার্যক্রম পরিচিতি

প্রতিষ্ঠাকাল থেকেই ফুলকিতে ছোটদের পাঠাগার চালু করা হয়েছিল। ১৯৮১ সনে এর পরিসর বাড়িয়ে প্রখ্যাত শিশু সাহিত্যিক সুকুমার রায়ের নামানুসারে ‘সুকুমার’ নামকরণ করে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়। বিশিষ্ট কবি ও নারীনেত্রী বেগম সুফিয়া কামাল ফুলকি পরিচালিত ‘সুকুমার শিশু সাধারণ পাঠাগার’ উদ্বোধন করেন। এটি দেশের প্রথম পূর্ণাঙ্গ শিশু সাধারণ পাঠাগার। ছোটদের চরিত্র গঠন, বই পড়ার রুচি তৈরি, মনন ও সৃজনশীল বিকাশসহ সার্বিক উৎকর্ষ সাধনের কথা বিবেচনায় রেখেই বাছাই করা বই নিয়ে এই পাঠাগারটি প্রতিষ্ঠিত। এখানে প্রতি দুই মাস অন্তর ঋতুভিত্তিক সাহিত্য আসর বসে। প্রতিটি আসরেই একজন করে বিশিষ্ট শিশুসাহিত্যিক আমন্ত্রিত থাকেন। এসব আসরে ফুলকির শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি অংশগ্রহণ করে নগরীর বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীরা। শিশুদের লেখা নিয়ে সাহিত্য পত্রিকা ‘আলোর ফুলকি’ নিয়মিত প্রকাশিত হয়। এখানে ছোটদের ভাষা সাহিত্য ও সংস্কৃতিবোধ এবং ইতিহাস ও ঐতিহ্য চেতনার প্রসারের জন্যে অনুশীলনধর্মী বিভিন্ন কার্যক্রম চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে। পাঠাগারে একটি সংগ্রহশালা তৈরির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এতে সংরক্ষণের জন্য বিশিষ্ট সাহিত্যিকদের ছবি, স্বাক্ষর, হস্তাক্ষর ও পান্ডুলিপি সংগ্রহের কাজ চলছে।

সংগ্রহ

সুকুমার শিশু সাধারণ পাঠাগারে গল্প, উপন্যাস, কবিতা, প্রবন্ধ, জীবনী, বিজ্ঞান, গণিত, ইতিহাস, রূপকথা, চারুকলা, শিক্ষা, ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য, সঙ্গীত, সাধারণ জ্ঞান, নাটক, ক্রীড়া, রচনাসমগ্র, অভিধানসহ বইয়ের সংখ্যা প্রায় ১২,০০০। শিশুপত্রিকা নেয়া হয় ৫টি। মুক্তিযুদ্ধের অ্যালবাম, মানচিত্র ও গ্লোব সংগ্রহে আছে। বর্তমানে পাঠাগারটি ব্যবহার করেছে প্রায় ১১০০ শিশু-কিশোর।