সর্বাধ্যক্ষ্যের বাণী

সর্বাধ্যক্ষ্যের কথা

গোড়ার কথা/ সর্বাধ্যক্ষার কথা

ফুলকি শিশুর জগৎ। ১ জানুয়ারি ১৯৭৬ সনে শিশু প্রবণতানির্ধারণী প্রতিষ্ঠান হিসেবে মুক্ত স্কুলের আদলে এর যাত্রা শুরু হয়। লক্ষ্যটা ছিল শিশুদের মানবিক গুণের উন্মেষ ঘটানো, সৃজনশীল প্রতিভার বিকাশ সাধন এবং বুদ্ধিবৃত্তিক মেধার লালন। এই উদ্যোগের সাথে নানাভাবে যুক্ত ছিলেন প্রফেসর আনিসুজ্জামান, বেগম উমরতুল ফজল, শিল্পী সবিহ-উল আলম, অমিত চন্দ, আবুল মোমেন ও প্রমূখ ব্যাক্তিবর্গ। পরে আমৃত্যু যুক্ত ছিলেন বিশিষ্ট বিজ্ঞানী প্রফেসর জামাল নজরুল ইসলাম, এবং ইতিহাসবিদ ড. শামসুল হোসাইন।

লক্ষ্য অর্জনের জন্যে কাজ করতে করতে ফুলকি নানা পরীক্ষা নিরীক্ষা ও রদবদলের মধ্য দিয়ে ১৯৮১ সনে সহজপাঠ নামে একটি মডেল প্রাথমিক স্কুল চালু করে এবং সূচনালগ্ন থেকে পরিচালিত প্রবণতা নির্ধারণী প্রতিষ্ঠানটিও নানা বিবর্তনের পরে ২০০৩ সন থেকে সোনারতরী নামে মডেল সাংস্কৃতিক স্কুল রূপে পরিচালিত হচ্ছে। ২০০১ সন থেকে অন্যান্য স্কুলের ছাত্রদের জন্যে সাহিত্য, সঙ্গীত, চারুকলা, মনীষীকথা, সভ্যতার কথা, বিজ্ঞানের পাঠ সম্বলিত সাংস্কৃতিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে ফুলকি । এটি সমন্বিত শিক্ষা-সংস্কৃতি কার্যক্রম নামে পরিচিত। শিশু শিক্ষা নিয়ে এই চেতনা এবং এসব কার্যক্রম দেশব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়ার জন্যে গঠন করা হয়েছে বিদ্যাসাগর-রোকেয়া শিক্ষা ট্রাস্ট। এছাড়াও শিশু মানস বিকাশে রয়েছে আরও বেশ কটি প্রকল্প। যা শিশুদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যকে গুরুত্ব দিয়েই পরিচালিত হচ্ছে। আজ ফুলকি ছাত্র হিসেবে সরাসরি প্রায় দেড় হাজার শিশু এবং সাংস্কৃতিক কার্যক্রম সমন্বিতের সূত্রে বিভিন্ন জেলার প্রায় কুড়ি হাজার ছাত্রের সাথে ফুলকির সংযোগ আছে।

শীলা মোমেন

সর্বাধ্যক্ষা

ফুলকি